প্রতিদিনে আমাদের নিত্য নতুন কিছু কাজ করতে হয় এই যেমন কোন দিন একটু বেশি টেবিল ওয়ার্ক বা একটু লিখালিখি চেয়ারে বসে করতে হচ্ছে বা হঠাত একটি বাজারের ব্যাগ আপনাকে ধরতে হচ্ছে যা আপনি সচরাচর করেন না। এরকম কোন কাজ করতে গিয়ে আপনার মাংস পেশিতে টান পড়তে পারে এ থেকে আপনার কোমড় ব্যথা বা কোণ জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।এরকম সিচুয়েশনে পেশেন্ট সাধারন্ত বুঝতে পারে না যে তারা কি করবেন।অনেকে এই সময় মেসেজ বা ডলাডলি করেন বা অনেকে হাটা হাটি করে বা অনেকে ভুল প্রাথমিক চিকিতসা করে ফেলেন যা পরবর্তিতে আর শোধরাবার নয়।ঠিক এই ধরনের কেসে আপনি যদি ফিজিওথেরাপি বিশেষঞ্জ এর পরামর্শ নেন তবে কোনটি করা যাবে বা যাবে না তা আপনি জেনে নিতে পারেন।

আচমকা কোমড় চড়কে গেলে বা কোমড়ের মাংসে টান পড়লে বা ব্যথা করলে কখনোই আপনি অতিরিক্ত মুভমেন্ট বা নড়াচড়া করবেন না বা কোন মেসেজ বা ডলাডলি করবেন না । স্রেফ রেস্টে চলে যাবেন ,রেস্ট বলতে যেভাবে থাকতে আপনার ভাল লাগে সেভাবেই থাকবেন। রেস্ট বলতে যে একদম বিছানায় শুয়ে যেতে হবে এমন নয় কিন্তু।এর পর ব্যথার জায়গায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত নরমাল পানি বা ঠান্ডা পানি দিবেন।সিম্পল পেইন কিলার এবং গ্যাসের ঔষধ খেতে পারেন।এরপর আপনি নিকটস্থ ফিজিওথেরাপি ডাক্তার বা অন্য কোন ডাক্তার এর শরণাপ্নন হবেন।

তাতক্ষনিক ব্যথার ক্ষেত্রে আমরা যা করিঃ
ব্যথার জায়গায় কোল্ড থেরাপি দেই
সাডেন প্রেশার বা চাপ দেই
ব্যথার জায়গা উচু করে রাখতে পরামর্শ দেই
বিশ্রাম এ থাকতে বলি
ওরাল পেইন কিলার দেয়া যেতে পারে
কাউন্সেলিং বা আপনার কি হয়েছে তা ব্যাখ্যা করি।
ফ্রী কনসাল্ট্যান্সিঃ
আমাদের দেশ একটি ঊন্নয়নশীল দেশ,এই দেশে খেটে খাওয়া মানুষে ভরপুর।রোগ কখন মানুষের অর্থ বিত্ত দেখে আসে না বা এমনো নয় যে যার বাড়িতে খানা পিনা নেই তার কোন রোগ বালাই থাকবে না।রোগ কারো ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাতালার পরীক্ষা আবার কারো ক্ষেত্রে আল্লাহ সুবহানাতালার গজব।প্রায়ই চেম্বারে রোগীরা ফিজিওথেরাপী’র ব্যয় শুনে মাথায় হাত দেয় বা এটা যে একটু নিয়মিত বা প্রতিদিন ই নিতে হয় তা শুনে ভর্কে যায়,বলে যে এত টাকা কোথায় পাব।অনেকে কিছুদিন কন্টিনিঊ করে আবার কিছু দিন পর বন্ধ করে দেয় চিকিতসার কোর্স কমপ্লিট না করেই।সেক্ষত্রে আমরা একটা ব্যবস্থা রেখেছি এমন যে কিছু টাকা জমা দিয়ে আপনি চিকিতসা শুরু করবেন,আবার কিছুদিন পর টাক জমা দিবেন।এর মধ্যে টাকার সমস্যা থাকলেও আপনার চিকিতসা বন্ধ হবে না।আবার টাকার ব্যবস্থা করে আবার জমা দিবেন।এভাবে কোর্স সম্পূর্ণ করতে পারবেন।
অনেক রোগী আমার কাছে এসে বলে বাবা ভিজিট নাই অমুক পরিচিত লোক বা ভাই আমাকে পাঠাইছে তখন আমরা টাকা দাবি করি না, বা বলি যদি পারেন কিছু দিয়ে যাবেন না হলে এভাবে চলবে।অনেক সময় আমাদের কাছে থেরাপি না নিয়ে অনেকে শুধু পরামর্শ নেয় সেক্ষেত্রেও আমরা পরামর্শ ফি দাবি করি না ।আর আত্মীয় স্বজন তো আছেই,তাদের কে সেবা দেয়া আমার দায়িত্ব।মোট কথা আমাদের কাছে এসে কেউ বিনা পরামর্শে বা সেবা না নিয় যাবে না।চাইলে কিছু না কিছু সেবা আমরা তাকে দিবই।